জাতীয়

মাস্ক পরতে বলায় সার্জেন্টকে হত্যার হুমকি, যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

ইনভেস্টিগেশন রিপোর্ট : মাস্ক পরতে বলায় রোববার (২৬ জুলাই) পুলিশের এক সার্জেন্টকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে রাজধানীর পল্লবী ইউনিটের যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানার বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তাপস কুণ্ড ঘটনার সতত্যা নিশ্চিত করেছেন। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় পল্লবীর কালশী সড়কে এ ঘটনার পর রাতে জুয়েল রানার বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেছেন মো. আল ফারহাদ মোল্লাহ নামের ওই পুলিশ সার্জেন্ট। মামলায় আরও ৩০ থেকে ৪০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি উল্লেখ করা হয়েছে।

জানা গেছে, আহত অবস্থায় সার্জেন্ট ফরহাদ ইসলামিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, আমরা বিষয়টি শুনেছি। আমরা নেতাদের বিষয়টি তদন্ত করতে বলেছি। যদি সে (রানা) দোষী সাব্যাস্ত হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পল্লবী থানার উপপরিদর্শক জানান, রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সার্জেন্ট ফরহাদ পল্লবী ট্রাফিক জোনের কালশী রোডে দায়িত্বরত থাকাকালে একটি মিনিবাস রাস্তার মাঝে থেমে যাওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজট কমাতে অন্য একটি বাসকে মিনিবাসটি ঠেলে সরানোর জন্য বলা হয়। এ সময় যুবলীগ নেতা রানাকে মিনিবাসের চালককে বকা দিতে থাকেন। এ দেখে সার্জেন্ট ফরহাদ এগিয়ে গিয়ে রানাকে সরে যেতে বলেন। এছাড়া তিনি মাস্ক না পরে থাকায় ফরহাদ তাকে মাস্ক পরতে বলেন। এতে যুবলীগের ওই নেতা ক্ষুদ্ধ হয়ে সার্জেন্ট ফরহাদের শরীরে আঘাত করেন। এর এক পর্যায়ে তিনি ফরহাদকে নিজের সঙ্গে থাকা পিস্তল দেখিয়ে হুমকি দেন।

তিনি বলেন, এঘটনার কিছুক্ষণ পরে ৩০ থেকে ৪০ জন সহযোগীকে নিয়ে যুবলীগ নেতা রানা কালশী পুলিশ বক্সের কাছে পৌঁছান এবং ফরহাদকে মারধর করে বডি ক্যামেরা ছিনিয়ে নেন ও ইউনিফর্ম ছিঁড়ে ফেলেন। পরে পল্লবী থানা থেকে পুলিশ আসলে রানা সহযোগীদের নিয়ে পালিয়ে যান।

পিএনএস/এএ

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button