জাতীয়

সিনহা হত্যা: এবার এপিবিএনের ৩ সদস্য গ্রেফতার

ইনভেস্টিগেশন রিপোর্ট :
18 August, 2020
প্রকাশের সময় : দুপুর,12:43 pm
প্রকাশের সময় : দুপুর,12:44 pm

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার তদন্তকাজে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ ব্রেকিংনিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এখনও তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে গ্রেফতার করা হবে। তারা যেহেতু সরকারি কর্মচারী সেহেতু তাদেরকে গ্রেফতারে কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে। সেই প্রক্রিয়াগুলো শুরু করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডে এপিবিএনের এই তিনজনের সংশ্লিষ্টতার ব্যাপারে লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যায় তারা সরাসরি জড়িত না হলেও আসামিদের সহায়তা করেছিলেন তারা।

গ্রেফতারকৃত ৩ জন হলেন- এপিবিএনের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাহজাহান, কনস্টেবল রাজীব ও আব্দুল্লাহ। ঘটনার দিন এই তিনজনই এপিবিএনের চেকপোস্টে দায়িত্ব পালন করেছেন।

গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাক বাহারছড়া চেকপোস্টে নিরাপত্তা চৌকিতে তল্লাশির সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

হত্যাকাণ্ডের ৫ দিন পর ৫ আগস্ট সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌসী বাদী হয়ে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে এসআই লিয়াকত, ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ ৯ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

শুরু থেকেই মামলাটির তদন্তভার দেয়া হয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়নকে (র‌্যাব)। শুরুতে র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জামিলুল হক মামলাটির তদন্ত করছিলেন। এরইমধ্যে দুদিন আগে জামিলুলের জায়গায় (আইও) র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ানের সহকারী পরিচালক এএসপি খাইরুল ইসলামকে তদন্তভার দেয়া হয়।

রিমান্ডে নেয়া ৪ পুলিশ সদস্য হলেন- সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন। অপর তিনজন হলেন- মো. আয়াছ, মো. নুরুল আমিন ও মো. নাজিমুদ্দিন। এই তিনজন সিনহা নিহতের পর টেকনাফ থানায় পুলিশের করা দুটি মামলার সাক্ষী।

এর আগে গত ৬ আগস্ট সিনহা হত্যা মামলায় লিয়াকত, প্রদীপ ও নন্দদুলাল রক্ষিত এই তিন পুলিশকে ৭ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন কক্সবাজারের সিনিয়র জুটিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের আদালত।

অন্যদিকে সহকারী উপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, পুলিশ কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেয়া হয়। গত ৮ ও ৯ আগস্ট কক্সবাজার কারাগারের জেলগেটে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে র‌্যাব। পরদিন ১০ আগস্ট তাদের আদালতে হাজির করে ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করে র‌্যাব। শুনানি শেষে আদালত ওইদিনই ৪ পুলিশ সদস্যকে ৭ দিন করে রিমান্ডে পাঠায়।

সবশেষ গতকাল সোমবার ওসি প্রদীপ কুমার দাস, পুলিশ পরিদর্শক মো. লিয়াকত ও এসআই নন্দদুলাল রক্ষিতসহ কক্সবাজার কারাগারে থাকা ১০ আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি।

“সুত্র পিএনএস/এএ”

“ইনভেস্টিগেশন নিউজ বিডি”

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button